Friday, October 19, 2012


আকাশ  আমায়  শিক্ষা  দিল  উদার  হতে  ভাইরে,
কর্মী  হবার  মন্ত্র  আমি  বায়ুর  কাছে  পাইরে।
পাহাড়  শিখায়  তাহার  সমান  হই  যেন  ভাই  মৌন  মহান,
খোলা  মাঠের  উপদেশে  দিলখোলা  হই  তাইরে।
সূর্য  আমায়  মন্ত্রণা  দেয়  আপন  তেজে  জ্বলতে,
চাঁদ  শিখালো  হাসতে  মিঠে, মধুর  কথা  বলতে।
ইঙ্গিতে  তার  শিখায়  সাগর, অন্তর  হোক  রত্ন  আকর,
নদীর  কাছে  শিক্ষা  পেলাম  আপন  বেগে  চলতে।
মাটির  কাছে  সহিষ্ণুতা  পেলাম  আমি  শিক্ষা,
আপন  কাজে  কঠোর  হতে  পাষাণ  দিল  দীক্ষা।
ঝরণা  তাহার  সহজ  গানে  গান  জাগালো  আমার  প্রাণে,
শ্যামবনানী  সরসতা  আমায়  দিল  ভিক্ষা।
বিশ্বজোড়া  পাঠশালা  মোর, সবার  আমি  ছাত্র,
নানান  ভারে  নতুন  জিনিষ  শিখছি  দিবারাত্র।
এই  পৃথিবীর  বিরাট  খাতায়  পাওনাটা  যে  সব  পাতায়  পাতায়,
শিখছি  সে  সব  কৌতুহলে  সন্দেহ  নাই  মাত্র।



Wednesday, August 15, 2012

যোগসিদ্ধি--গুরুরা পারেন না !!!


সিদ্ধ  গুরুদের  ঋদ্ধি  ও  সিদ্ধি  করতলগত  হলেও  তাঁরা  বলেন------

1. আমি ভাগ্য  গণনা  করতে  পারি  না।

2. টাকা  পয়সা  দিতে  পারি   না।

3. মমলা-মোকদ্দমায়  জয়  দিতে  পারি  না।

4. ছেলের  চাকরী  ও  মেয়ের  বিয়ে  কবে  হবে  বলতে  পারি  না।

5. আলুর দোকানে  পটল, পটলের দোকানে  জিলিপি, জিলিপির  দোকানে  রেভিনিউ  কি  পাওয়া  যায়? ঠিক  সেইরকম  পরমার্থের  দরবারে  অর্থ  চাইলে  পাবে  না  হে, পাবে  না।

6. এই স্বার্থপর  জগতে  প্রকৃত  প্রেম  বলে  কিছু  নেই। এ  জগতে  কেউ  কাউকে  ভালবাসে  মানে  তার  পিছনে  স্বার্থ  আছে। প্রেমময়  পুরুষকে লাভ  করতে  হলে  চাই  প্রাণের  আকুতি, গভীর  প্রেম  এবং  গুরুর  কৃপা  আর  চাই  শ্রদ্ধা, কঠোর  সংযম  ও সাধনা।

7.  আমাকে  তোমার  Charitable  dispensary  বা  Employment  exchange  এ  পরিণত  কোর  না।

8.  আমি নর্মদা  মায়ীর  একটা  পাণ্ডা  ছাড়া  আর  কিছুই  নই।  যে  সে  পথে  চলতে  চাইবে, আমি  তার  সহায়। আমি  কেবলমাত্র  পথ  দেখিয়ে  মন্দির  দুয়ার  পর্যন্ত্য  পৌঁছে  দিতে  পারি।  আর  কিছু  পারি  না।

9. ভক্তি  ভালো, তবে ভক্তির  ভাঁড়ামো  ভালো  নয়। ধর্মে  উচ্ছ্বাস আবেগের  স্থান  নেই।  ভক্ত  হতে  হলে  গুপ্ত  হতে  হবে।


প্রকৃত  প্রেম  যেমনি  মোহন।
তেমনি  কঠোর  তেমনি  গোপন।।


10. আমার  লোক  তৃষ্ণাও  যত,  লোক  ভয়ও  তত। যারা ভজন-ভুখা, আমি  তাদের  জন্য  তৃষিত  চাতকের  মত  আকুল  প্রতীক্ষায় আছি  আর  যারা  ভোজনের  ভুখা  তাদেরকে  আমার  বড্ড  ভয় করে।

11. মনে  রেখ  ঋষিরা  এক  হিসাবে  বড়  বিপজ্জনক  ব্যক্তি। তিনি  তোমার  কর্ম  adjust করতে  জানেন। কিন্তু  তুমি  তাঁর  কাছে  যত  স্বার্থের  বক্‌বকম্‌  করবে  ততই  তিনি  তোমার  কর্মের  বিন্দু  থেকে  সরে  আসবেন। তুমি  ফাঁসবে, তুমি  ডুববে। পরপর  কর্মের  ঢেউ-এ  তুমি  হাঁসপাঁশ  করবে। আর  যদি  নীরব  থাক----শুধু  চুপিসারে  যাও  আস, তাহলে  তিনি  প্রতি  দৃষ্টিপাতে  কর্মবিন্দুটি  তরল  করে  দেবেন। তখন  দুঃখটাকে  সেইমত  ভোগ  করিয়ে  নিয়ে  তোমার  কুঁড়েঘরে  সুখের  জ্যোৎস্না  এনে  দেবেন।

12. শালগ্রাম  শিলা  দিয়ে  বাটনা  বাটতে  বা  মশারির  পেরেক  পুঁততে  চেও  না। সাধুরা  রয়েছেন  তোমাকে  অমৃতের  দেশে  অভয়  আনন্দলোকে  নিয়ে  যেতে। তাঁকে  সংসারের  তুচ্ছ  কামনা- বাসনা  পূরণে  লাগিও  না।

13. প্রেমময়  "প্রীতম" কে  ভালবাসতে  হলে  প্রথমে  চিত্তশুদ্ধির  প্রয়োজন। অন্তর  যদি  সর্বত্র  কলুষিত  ও  কর্দমাক্ত  থাকে  তবে  তিনি  বসবেন  কোথায়।  প্রথমে  তাঁকে  বসার  মত  একটু  "ঠাঁই"  না  দিলে অর্থাৎ  তাঁর  প্রতি  একটু  টান  না  থাকলে  তিনি  বসতে  পারেন  না।  তিনি  প্রেমের  কাঙাল  অথচ  স্বার্থপর  জগতে   কারও  এতটুকু  প্রেম  তাঁর  প্রতি  আছে?  তিনি  চান  আমাদের  কাছে  প্রেম  আর  ভক্তি। আমার  যত  কাদাই   মাখিনা  কেন  তাঁকে  যদি  একটু  আসন  পেতে  বসবার  স্থান  করে  দিতে  পারি, তিনি  সমস্ত  কর্দম  ও  কলুষ  পরিষ্কার  করে  তাঁর  জিনিষ  তাঁর  কাছে  টেনে  নেন।


https://www.facebook.com/pages/tapobhuminarmada/454528151310191




Monday, August 6, 2012

নাই  আভরণ  এমন  কথা  কেউ  এনো  না  মুখে  আর।
রেবা  মা-ই  করতে  পারেন  অলংকারের  অহংকার।
এ  জগৎ  বটে  মা  তোমার  অলংকারের  সাজানো  থাল,
প্রাতর্মধ্যসায়ংকাল  সাজায়ে  দেন  মহাকাল;
আবার  নিশাকালে  বদলে  পরায়
তাতে  আলো  আঁধার  দুই-ই  দেখা  যায়,
বল্‌  মা  তবে  কার  মা  ভাব  আছে  এত  অলংকার!
কে  বলে  মোর  রেবা  মায়ের  অলংকারের  অপ্রতুল,
পরেন  তিনি  স্থির  তড়িতের  সুতায়  গাঁথা  তারার  ফুল,
পরে  থাকেন  মা  নর্মদা  ইন্দ্রধনুর  একাবলী,
স্বয়ং *বৈজয়ন্তী  হয়ে  পরবেন  কেন  বৈজয়ন্তী-নোলী?
জীবের  জীবন  নাসার  নোলক  তা ত  জানে  সর্বজন,
পদ্মপাত্রে  জলের  মত  দোলে  যে  তা  সর্বক্ষণ।
ঞ্জান  সমুদ্রের  মহারতন, শ্রুতি  যে  তাঁর  কর্ণভূষণ
মুকুট  যে  তাঁর  সদানন্দ  নাশেন  ভবের  যতেক  কালি।
বারভয়  মার  হাতের  বলয়  তা  ত  সবার  জানা  কথা,
মা  যে  করুণার  কঙ্কণ  পরেন,  মুক্তিফলের  মালা  গাঁথা;
মায়া- মন্ত্রে  কায়া  ঢাকি, সদা  সংগোপনে  থাকি
নিতম্বে  সতত  পরি  সপ্তসিন্ধুর  চন্দ্রহার।
অষ্টসিদ্ধির  নুপূর  পরেন, তাইতে  মায়ের  অনুরাগ,
পুণ্যগন্ধস্বরূপিনী  স্বয়ং  শ্রী  মা'র  অঙ্গরাগ।
ব্রহ্মাত্মায়ের  অলক্তের  জল, কেশব  তাঁহার  চোখের  কাজল
কালানল  তাম্বুল  তিনি  চর্বণ  করেন  বারংবার।।
গোবিন্দ  দেখেছে  মাগো  সুধাইলে  বলবে  সেও,
বাছা  বাছা  কাঁচা  মেঘের  আমলা  বেটে  মাথায়  দাও।
পোহাইলে  বিভাবরী  শিশু-সূর্যের  সিঁন্দুর   পরি
চাঁদ  বেটে  চন্দনের  ফোঁটা  দিয়ে  থাক  অনিবার।।
কে  বলে  তুমি  কেবল  নীরাকারা, নাইকো  তোমার  অলংকার!







Saturday, July 21, 2012


......... তোমাকে দীক্ষা  যে  দিব, তার দক্ষিণা  কি  দিবে? তাঁর  কথা  শুনে  আমি  হকচকিয়ে  যাই; নীরবে  তাঁর  দিকে  তাকাতেই  তিনি  তাঁর  কাঁধের ঝুলিটি  দেখিয়ে  বললেল--- আমার  এই  ঝুলিতে  ঋদ্ধি  সিদ্ধি দুই আছে। মা  নর্মদার  দয়ায়  আমার  সবই  পূর্ণ।

লৌকিক  প্রথানুসারে  শিষ্য  যে  গুরুকে  স্বর্ণমুদ্রা, রৌপ্যমুদ্রা, অন্নপানাদি এবং পত্রপুষ্পাঞ্জলি  দান  করে  থাকে, তার নাম ঋদ্ধি।এগুলি  যথার্থ  গুরুদক্ষিণা  নয়।

কারণ এই  জাগতিক  উপঢৌকন  সম্পূর্ণ  অনিত্য  বস্তু, এই  জগতেই এগুলি থেকে যায়। ঐ সব অনিত্য বস্তুর গুরুদক্ষিণা প্রদানে পরকালে স্বর্গসুখ প্রাপ্তি বা পরজন্মে  শ্রীমানের  কুলে  জন্মলাভ  ঘটে  বটে কিন্তু তার  ফলে  অনিত্য  সংসারে  পুনরায়  এসে  সুখ-দুঃখ  ভোগ  করতে হয়।

কিন্তু  সিদ্ধি  কোন  মতেই  অনিত্য  বস্তু  নয়। সিদ্ধমন্ত্র থেকে সিদ্ধফল উৎপন্ন  হয়। তোমাকে  এই  রুদ্রাক্ষের  মালা  মন্ত্রপূত  করে দিচ্ছি। আমার প্রদত্ত  মন্ত্র  এই  মালায়  জপ  করবে  এবং জপান্তে মন্ত্রেরফল জপের  অভীষ্ট  স্বরূপ  গুরুদেবের  উদ্দেশ্যে  সমর্পণ  করবে। তোমার নিত্য  জপের  ফল  আমার  কাছে  গচ্ছিত  থাকবে। যথালগ্নে যথাসময়ে  তোমার  সেই  গচ্ছিত  বস্তু  শতগুণ  বর্ধিত  করে তোমাকেই  সমর্পণ  করব। সেই  সিদ্ধফলই  যথার্থ  মুক্তির  সোপান নির্মাণ  করে  থাকে।

তাঁর  সেই  কথা  মন্ত্র  মুগ্ধ  হয়ে  শোনার  পর  তাঁর  চরণে  আমি প্রণত  হতেই  তিনি  বললেন---" হ্যাঁ, এই  হল  সর্বশ্রেষ্ঠ  গুরুদক্ষিণা। তোমার  যে  মাথা  গুরুপদে  ঠেকিয়েছ, সেই  মাথাই  দেহের  মধ্যে শ্রেষ্ঠ  অঙ্গ, সেইখানে  সহস্রদল  কমলের  মধ্যে  গুরুস্বত্তা  সতত বিরাজিত  আছেন; সেই  সহস্রদল  কমলের  মধ্যে  গুরুস্বরূপের  ধ্যান করবে  এবং  আজ  হতে  তোমার  তন্‌  মন  ধন  সকলই  গুরুদেবের হল, তুমি  যখন  যা  করবে, গুরুদেব  সতত  তোমার  সঙ্গে  আছেন। এই দৃঢ়  ভাবনা  অবিচলিত  নিষ্ঠা  রাখতে  পারলেই  তোমার  নিত্য বস্তু  লাভ  হবে।" তাঁর  এই  উপদেশই  আমার  কাছে  ধ্যানঞ্জান।


দেবি  নর্মদে! কৃপা  করো  অপরাধ  বিসারো।
ভব  সাগরমেঁ  ডুবি-রহে!  আই  উবারো।।
পুত্র  কুপুত্র  কহায়  কুমাতা  হোয়  ন  কবহুঁ।
করে  ন  হম  শুভ  করম  লগায়ে  আশা  তবহুঁ।।
মাঁ  তুম্‌  অশরণ  শরণ  হো, গোদীমেঁ  বৈঠাই  লৈঁ।
ভলে  বুরে  জৈসে  তনয়, কিরপা  করি  আপনাই লৈঁ।।


Thursday, May 31, 2012

উত্তরা সুষুম্নাই উত্তরাপথ; উত্তরায়ণের পথ; সাক্ষাৎ ব্রহ্মমার্গ:-

Cont..... (Last)


------এই  ত্রিকোণাকার  যোনিমণ্ডল  পরা  প্রকৃতির  চরম পরম 
অবস্থা, এখানেই  প্রণবের অর্ধচন্দ্রাকৃতি  মহানাদ  নিত্যপ্রকট। এই  নাদমুখে  ত্রিভুবনের  মুক্তিদায়ক  সদানন্দময়  সদাশিব  অর্ধনারীশ্বর  রূপে  নিত্যবিরাজিত,


লোকানাং  যুক্তিজনকো  লোকানাং  মুক্তিদায়কঃ।
সদানন্দকরো  দেবশ্চার্ধ নারীশ্বরো বিভুঃ।।

----- এই  অর্ধনারীশ্বরের  জ্যোতিতেই  দিব্য  পিতৃলোক উদ্ভাসিত  আছে। ভগবান অর্ধনারীশ্বরের চিদ্‌বীর্য  প্রাণচৈতন্য  মায়াশক্তির আশ্রয়ে  স্থূলরূপে  যখন  বিকাশোন্মুখ হয়  তখন তা সর্বপ্রথম  বিশুদ্ধ  ব্যোমমণ্ডলে  অনুপ্রবিষ্ট  হয়।

রহস্যময়  সৃষ্টিধারার  ক্রম  বজায়  রাখার  জন্য  প্রকৃতির  বিধানে মাতাপিতা যখন উভয়ে মিলিত হন, তখন তাঁরই চিদ্‌রশ্মি  পঞ্চীকরণের  নিয়মানুসারে  রজোবীর্যের স ংযোগে মাতৃগর্ভে পাঞ্চভৌতিক শরীর গঠনে সাহায্য করে। তারই  পরিণাম  আপন  আপন  মাতাপিতার পুত্রকন্যারূপে  জন্মলাভ।

সচ্চিদানন্দ  অর্ধনারীশ্বরের  ক্ষেত্র  হতে  ঐ  ধারা  নেমে  আসে  বলে  মা-বাবার  আপন  সন্তানের  প্রতি  নিঃস্বার্থ  ভালবাসা  থাকে, তাঁরা  সন্তানের  জন্য  সদাকল্যাণ  তৎপর  হয়ে  থাকেন। পুত্র-কন্যার  পক্ষে  তাই  মাতাপিতার  ঋণ  অপরিশোধ্য।

পুত্রকন্যা  যদি  মাতা-পিতাকে  ঐ  অর্ধ নারীশ্বর  ঞ্জানে  এই  পথে  অর্থাৎ  অর্ধনারীশ্বর ক্ষেত্র  হতে পূর্বোক্ত চিদ্‌রশ্মিপথে
 ( যা  তার  আপন  আঞ্জাচক্রে  রয়ে  গেছে ) ধ্যান  করেন, তবে  ঐ অর্ধনারীশ্বর ক্ষেত্র  সহজেই  উদ্দীপিত  হয়, ঐ  চিদ্‌রশ্মির  টানে  উত্তরণের  পথ  সহজ  হয়। তার  ফলে  অন্তে  সান্দ্র  ব্রহ্মানন্দ  লাভ  হয়। নিজ  জীবনে  কৃতকৃত্য  ও  চরিতার্থ  হওয়ার  এটি  গুহ্যতম  সিদ্ধপথ।

মহাযোগেশ্বরদের  মতে,

ইহস্থাং  ঞ্জাত্বা  নিয়তনিজচিত্তোনরবরো
ন  ভূয়াৎ  সংসারে  ক্বচিদপি  চ  বদ্ধস্ত্রিভুবনে।।

এই  রহস্য  ঞ্জাত  হয়ে  যিনি  নিজ  চিত্ত  এইরূপ  ধ্যানের  পথে  লীন করতে  পারেন,  তিনি  স্বর্গমর্ত্ত্যপাতালের  কোন  স্থানে  আর  আবদ্ধ  হন  না, তাঁকে  আর  স ংসারে  জন্মগ্রহণও  করতে  হয়  না।

আমি  কেবল  প্রার্থনা  করব,

ভগভক্তস্য  তে  বয়ং উদশেমতবাবসা
মূর্ধ্বাং  রায়ঃ  আরভে।। (ঋগ্বেদ)

হে  প্রভু,  হে  বরণীয়  ভর্গদেবতা, এই  পথ  অনুসরণ  করে  জীব  যেন  প্রাণস্রোতের  মূর্ধ্বাতে  উজান  বেয়ে  চলে  যেতে  পারে।।

ওঁ  শিবমস্তু।